কন্যাশ্রী প্রকল্প kanyashree prakalpa

1
55
kanyashree prakalpa

কন্যাশ্রী প্রকল্প kanyashree prakalpa

পশ্চিমবঙ্গের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রকল্প পশ্চিমবঙ্গ সরকার গত কয়েক বছরে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষজনের লক্ষ্যমাত্রা উন্নতির জন্য বেশ কয়েকটি প্রকল্প চালু করেছে । এই প্রকল্পগুলি দরিদ্র ও অভাবী নাগরিকদের কাছে পৌঁছানোর কার্যকর মাধ্যম হয়ে উঠেছে । সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি প্রকল্প সম্পর্কে নিচে বর্ণনা করা হল ।

kanyashree prakalpa

1. প্রকল্পের নাম কন্যাশ্রী( kanyashree)

কন্যাশ্রী কার্যকর হয় : 2014 সালে

বিভাগ : মহিলা ও শিশু উন্নয়ন ও সমাজকল্যাণ বিভাগ

উদ্দেশ্য : একটি শর্তসাপেক্ষ নগদ সরবরাহ প্রকল্প , যা পশ্চিমবঙ্গের মেয়ে শিশুর অবস্থা এবং সুস্থতার উন্নতির লক্ষ্যে সমস্ত কিশোরী মেয়েদের স্কুলে পড়াতে উৎসাহিত করে এবং বিয়ের আইনি বয়স ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত তাদের বিবাহ বিলম্বিত করে ।

বিস্তারিত বিবরণ : প্রকল্পটির আর্থিক সুবিধার দুটি ভাগ রয়েছে । 1) কন্যাশ্রীর বার্ষিক বৃত্তি 750 / – সেইসব মেয়েদের দেওয়া হবে , যাদের বয়স 13 থেকে 18 বছরের মধ্যে , 2) 18 থেকে 19 বছর বয়সী মেয়েদের জন্য 25,000 / – এর এককালীন অনুদান দেওয়া হবে ।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে , যেসব মেয়েরা প্রতি বছর স্কুলে যায় এবং অবিবাহিত থাকে , তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে নগদ জমা করা হয় । এই উদ্যোগের ফলে বাল্যবিবাহে ব্যাপক হ্রাস , নারী শিক্ষা বৃদ্ধি এবং নারীর ক্ষমতায়ন ঘটেছে ।

তবে , অষ্টম শ্রেণীর নিচের শ্রেণীতে পাঠরত বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মেয়েরাও বার্ষিক বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারে ।

2017 সালে জাতিসংঘ পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে তার “ কন্যাশ্রী ” প্রকল্পের জন্য নাগরিক পরিষেবা খাতে প্রথম স্থান প্রদান করে ।

অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারকে নগদ সহায়তার মাধ্যমে মেয়েদের জীবন ও অবস্থার উন্নয়নে পশ্চিমবঙ্গের সরকার কর্তৃক গৃহীত একটি উদ্যোগ, যাতে অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে কোনো পরিবার আঠারো বৎসর বয়সের আগে তাদের মেয়ে সন্তানের বিয়ের ব্যবস্থা না করে।

এই প্রকল্পের অন্যতম অভিপ্রায় হল, আর্থিক ভাবে পিছিয়ে থাকা গরিব দুঃস্থ মেয়েদের উচ্চ শিক্ষার জন্য তুলে আনা। এই প্রকল্প তার নক্সা ও সুশাসনের বৈশিষ্ট্যের জন্য একাধিক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করেছে।

কন্যাশ্রী প্রকল্পের জন্য অনেক গরিব ঘরের মেয়েরাও উচ্চ শিখাই শিক্ষিত হচ্ছে।  টাকার অভাবে গরিব মেয়েরা পড়াশোনা করতে পারতোনা এখন শুধুমাত্র এই প্রকল্পের জন্য তাদের ও স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে। কেও ডাক্তার ,কেও টিচার,হচ্ছে 

কন্যাশ্রী দিবস


সমগ্র রাজ্য জুড়ে এই প্রকল্পটি উন্নীত করার জন্য ১৪ই আগস্ট কন্যাশ্রী দিবস হিসেবে উদ্‌যাপন করা হয়। কন্যাশ্রী এখন বিশ্বশ্রী 

পুরস্কার এবং স্বীকৃতি

ই প্রকল্প তার নক্সা ও সুশাসনের বৈশিষ্ট্যের জন্য একাধিক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করেছে।

২০১৭ সালের জুন মাসে, জাতিসংঘ তাদের সর্বোচ্চ জনসেবা পুরস্কারে সম্মানিত করে কন্যাশ্রীকে।

 ৬২ টি দেশের মধ্যে ৫৫২ টি সোশ্যাল সেক্টর স্কিমগুলির মধ্যে সেরা পুরস্কার পায় কন্যাশ্রী।

WSIS ২০১৬ এর বিজেতা

অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ রিফর্মস এবং পাবলিক গ্রিভেন্স দ্বারা আয়োজিত ন্যাশনাল E-Governance অ্যাওয়ার্ড ২০১৪-১৫ এ পুরস্কৃত।

২০১৪ সালে ই-ওমেন ও এমপাওয়ারমেন্ট বিভাগে মন্থন অ্যাওয়ার্ড (সাউথ এশিয়া ও এশিয়া প্যাসিফিক) পেয়েছে।

২০১৪ সালে মহিলাদের ক্ষমতায়ন এর জন্য পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী দ্বারা পুরস্কার লাভ করেছে।

বিশ্বব্যাংক দ্বারা আয়োজিত “এমপাওয়ারমেন্ট অফ এডোলেসেন্ট গার্লস ” এর অধিবেশন (রাঁচি, মে ২০১৫ )

গার্লস সামিট ডিএফআইডি ও ইউনিসেফ (লন্ডন, জুলাই ২০১৪) দ্বারা সংগঠিত

1 COMMENT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here